শীতের এক সকালে অসাধারণ বুড়িমারি তে…

গতবছর এর শীতে গিয়েছিলাম লালমনিরহাট জেলার বুড়িমারি তে। ভোর বেলা সূর্যোদয় এর কিছু আগে পৌছালাম। কি মনে করে আরও একজনকে … বিস্তারিত পড়ুন

দার্জিলিং এর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং প্রকৃতি… (পঞ্চম পর্ব)

শাহেদ সুলতান মহিউদ্দীন।

কিছু অন্যান্য ছবি…

দার্জিলিং ভ্রমণ বিষয়ক এইটাই আমার শেষ পোস্ট… সবাইকে বলবো একবার দার্জিলিং ঘুরে আসতে। কাঞ্চনজঙ্ঘা, বিস্তারিত পড়ুন

দার্জিলিং এর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং প্রকৃতি… (চতুর্থ পর্ব)

শাহেদ সুলতান মহিউদ্দীন।

দিন শেষ এ দার্জিলিং…

দার্জিলিং এ ভ্রমণ আমাদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ কেননা এটা ছিল আমাদের প্রথম বিদেশ বিস্তারিত পড়ুন

দার্জিলিং এর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং প্রকৃতি… (তৃতীয় পর্ব)

শাহেদ সুলতান মহিউদ্দীন।

দার্জিলিং এর দৈনন্দিন কর্মচাঞ্চল্য…

 

 

 

চলবে…

চতুর্থ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন…… চতুর্থ পর্ব।

লেখক … বিস্তারিত পড়ুন

দার্জিলিং এর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং প্রকৃতি… (দ্বিতীয় পর্ব)

শাহেদ সুলতান মহিউদ্দীন।

দার্জিলিং এর বাড়িঘর…

দার্জিলিং এর বাড়িঘরগুলোর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে। এখানকার বাড়িতে প্রথম এ সবচেয়ে উপরের তলাতে বিস্তারিত পড়ুন

দার্জিলিং এর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং প্রকৃতি… (প্রথম পর্ব)

শাহেদ সুলতান মহিউদ্দীন।

দার্জিলিং এর জীবনযাত্রা…

দার্জিলিং একটি শান্ত ও নিরিবিলি শহর। এখানকার অধিবাসীরা কোলাহলমুক্ত জীবনযাপন করতে অভ্যস্ত। দার্জিলিং এ … বিস্তারিত পড়ুন

কালিম্পং… অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে বিজ্ঞানের জাদুঘর…

কালিম্পং… অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে বিজ্ঞানের জাদুঘর…

শাহেদ সুলতান মহিউদ্দীন ।। Shahed Sultan Mohiuddin

দৈনন্দিন ব্যাস্ততার ভিড়ে চিরেচ্যাপ্টা জীবনটা হন্যে হয়ে চাচ্ছিল একটা বিরতি। নির্জন কোথাও হারিয়ে যাবার জন্য মনটা তৃষ্ণার্ত হয়ে উঠছিল। মনের এই চাওয়াটাকে বাস্তবে রূপ দিতে আমরা তিনজন ছুটে গেলাম প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়ে রাখা ভারতের দার্জিলিং এ। কাঞ্চনজঙ্ঘার পাদদেশ এ অবস্থিত এই স্থান এর রুপমাধুর্য ভাষায় বর্ণনা করা অসম্ভব। প্রভাত এর সূর্যকিরণ কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়া হতে প্রতিফলিত হয়ে যখন এক অপার্থিব দৃশ্যের অবতারনা হয় সেই স্বর্গীয় সুধা পান করার জন্য বার বার ছুটে যাওয়া যায়।

দার্জিলিং এর কিছু দূরে আর এক অপরূপ স্থান হল কালিম্পং। এই পার্বত্য শহরের অসাধারন সৌন্দর্য রঙিন করেছে দূরবিস্তৃত চাবাগানকে, সূর্যোদয়কে, সূর্যাস্তকে, বিভিন্ন ফুলকে, পাখিকে। কালিম্পং  ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শৈলশহর যা নিম্ন হিমালয়ে অবস্থিত। গড় উচ্চতা ১,২৫০ মিটার (৪,১০১ ফুট)। কালিম্পং তিস্তা নদীর ধারে একটি শৈলশিরার উপর অবস্থিত। মনোরম জলবায়ু ও সহজগম্যতা একে জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র করেছে। উদ্যানপালন কালিম্পং-এ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এখানে নানাপ্রকার অর্কিড দেখা যায়। এখানকার নার্সারিগুলিতে হিমালয়ের ফুল, স্ফীতকন্দ ও রাইজোমের ফলন চলে। কালিম্পং-এর অর্থনীতিতে এই ফুলের বাজার বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। নেপালি, অন্যান্য আদিবাসী উপজাতি ও ভারতের নানা অংশ থেকে অভিনিবেশকারীরা শহরের প্রধান বাসিন্দা। কালিম্পং বৌদ্ধধর্মের একটি কেন্দ্র। এখানকার জ্যাং ঢোক পালরি ফোডাং বৌদ্ধমঠে বহু দুষ্প্রাপ্য তিব্বতি বৌদ্ধ পুথি রক্ষিত আছে।

কালিম্পং নামের সঠিক উৎস অজ্ঞাত। সর্বজনগ্রাহ্য মত হল, তিব্বতি ভাষায় কালিম্পং মানে রাজার মন্ত্রীদের সভা (বা বেড়া)। কথাটি এসেছে কালোন (রাজার মন্ত্রী) ও পং (বেড়া) শব্দদুটি থেকে। অন্য মতে, লেপচা ভাষায় কালিম্পং শব্দটির অর্থ যে শৈলশিরায় আমরা খেলা করি। অতীতে এখানে স্থানীয় আদিবাসীদের গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়ানুষ্ঠানের আসর বসত। পাহাড়ের অধিবাসীরা এই অঞ্চলকে কালিবং-ও (কালো নাল) বলে থাকেন।

কালিম্পং নগরকেন্দ্র ডেলো পাহাড় ও দুরপিন পাহাড়ের মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী একটা শৈলশিরার ওপর অবস্থিত। উচ্চতা ১,২৪৭ মিটার (৪,০৯১ ফুট)। কালিম্পং-এর সর্বোচ্চ স্থান ডেলোর উচ্চতা ১,৩৭২ মিটার (৪,৫০১ ফুট)। পাহাড়ের নিচের উপত্যকায় তিস্তা নদী প্রবহমান। তিস্তা কালিম্পং-কে সিকিম রাজ্য থেকে পৃথক করেছে। কালিম্পং-এর মাটির রং লাল। ফাইলিট ও শিস্টের অতিরিক্ত উপস্থিতি হেতু কোথাও কোথাও মাটির রং কালো। শিবালিক পর্বত অন্যান্য হিমালয়ের পাদদেশীয় পার্বত্য এলাকার মতোই ঢালু ও নরম মাটি বিশিষ্ট। বর্ষাকালে এখানে প্রায়ই ধস নামে। কালিম্পং থেকে হিমালয়ের তুষারাবৃত উঁচু উঁচু শৃঙ্গগুলি দেখা যায়। মাউন্ট কাঞ্চনজঙ্ঘা [৮,৫৯৮ মিটার (২৮,২০৯ ফুট)] বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম শৃঙ্গ, এখান থেকে খুব স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

যতই কালিম্পং সায়েন্স সেন্টার এর অসাধারন সব বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারগুলো দেখতে থাকলাম ততই বাংলাদেশএ এরকম একটি বিজ্ঞানভিত্তিক জাদুঘর এর অভাব প্রচণ্ডভাবে অনুভব করলাম। ইচ্ছাশক্তি এবং চেষ্টা থাকলে কি না করা সম্ভব। বেশ অনেক্ষন ঘুরে ফিরে আসলাম আবার দার্জিলিং এ। কিন্তু মনের এককোনে কালিম্পং এর জন্য একটি স্থান আজীবন এর জন্য বরাদ্দ হয়ে গেল।

সহযোগী সুত্রঃ http://bn.wikipedia.org

লেখক কর্তৃক সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত।

0
0